বাঁচো প্রতিক্ষণ

0
33

বাঁচো প্রতিক্ষণ

সুন্দর সবই, প্রভাত, মধ্যাহ্ন
সুস্বাদু সবই, সারথি জলের অন্ন;
তবুও কোথাও শুন্যতা, প্রসন্ন
তবু্ও সবই পর, সবাই ‘অন্য’!

মহাদিগন্তের অগণিত নিহারিকা
মহাকালের অজানা কালসমুদ্র
মহাজগতের জগত অফুরান;
তুমিই ক্ষুদ্র, অতি অস্থায়ী প্রাণ।

দিগন্তের বিস্তৃতি সত্য, সতত
কতটা পৃথিবী তোমার জানা?
কত শতাব্দী তোমার স্মৃতিতে
কত সহস্রাব্দই যে অজানা!

ক্ষুদ্র আয়ুষ্কালে, কার হুংকার?
ক্ষীণ জগতে তোর, কেন অহংকার!
কেনই ভাবছো তুমি জগদ্বিখ্যাত
কত প্রতিভূ আজ বিস্মৃত, অখ্যাত!

ভেবো আমরণ, তোমাতেই সব
সব যশই ক্ষয়িষ্ণু, বিস্মৃত শব!
নয় তোর দিগন্তসব, নয় আজীবনে?
জীবনটা প্রাণবন্ত, মরণের কারণে।

তোমার জীবনও আছে, সে হীরন্ময়
যদি হয় কর্মের ধর্মে, বয়সে তো নয়;
তোমার জগত বিশাল, অপার অশেষ
ত্যাগে পূূর্ণতা, ভোগেই ধ্বংসাবশেষ!

আছে তোমার বিশ্বালয়, উদার হৃদয়ে
অনন্তস্মরণও হয়, কর্মরবির উদয়ে;
তোমার ক্ষণটি আজ অমূল্য এক ধন
সুবিশাল গ্যালাক্সি ও অশেষ ভুবন।

তাই বাঁচো পূর্ণতায়, বাঁচো প্রতিক্ষণ
তাতেই মহৎ জীবন, আলোর কানন।


মোঃ নাজিম উদ্দিন